কেউ কখনো আমাকে শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে ডাকেনি

বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। অভিনয় গুণে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক।

অসংখ্য দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন এই অভিনেতা। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির একজন প্রবীণ সদস্যও তিনি।

কিন্তু গত ১৫ বছর ধরে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে যান না তিনি। অবশেষে দীর্ঘ ১৫ বছর পর গতকাল শনিবার চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে গিয়ে কিছুক্ষণ সময় কাটান প্রবীণ এ অভিনেতা।

বিএফডিসিতে ‘পাঙ্কু জামাই’ সিনেমার শুটিং চলছে। এতে অংশ নিতে বিএফডিসিতে ছিলেন এটিএম শামসুজ্জামান। এ সময় শুটিং ফ্লোরে হাজির হন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। এরপর তিনিই এটিএম শামসুজ্জামানকে শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে নিয়ে যান।

এ প্রসঙ্গে এটিএম শামসুজ্জামান বলেন, ‘১৫ বছর পর শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে আসলাম। এতদিন কেউ কখনো আমাকে শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে ডাকেনি। আমি গত নির্বাচনে ভোট দিতেও আসিনি।’

১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন এটিএম শামসুজ্জামান। প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেন ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রের জন্য। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন তিনি। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন তিনি। অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। ১৯৮৭ সালে কাজী হায়াত পরিচালিত ‘দায়ী কে?’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। রেদওয়ান রনি পরিচালিত ‘চোরাবালি’ সিনেমায় অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-চরিত্র অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

About Kuy@s@News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*