চার মাস ধরে সড়ক পানির নিচে!

শুক্রবার প্রথম আলোর খবরে বলা হয়েছে, ৩২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কেশবপুর-নওয়াপাড়া সড়কের দুই পাশে রয়েছে বিল গরালিয়া। বিলের পানি নামে বড়েঙ্গা জলকপাট দিয়ে। কিন্তু পলি জমে জলকপাটের পরে বড়েঙ্গা খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নামছে অল্প অল্প করে। ফলে সড়কের এই আধা কিলোমিটার অংশে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।

সড়কের এই আধা কিলোমিটার অংশের কোথাও কোথাও হাঁটুপানি। এ ছাড়া সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। ফলে এ সড়কে চলতে গিয়ে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এর মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে ভ্যান ও নছিমনের মতো হালকা যানবাহন চলাচল করলেও ভারী যানবাহন চলাচল একেবারে বন্ধ রয়েছে। ফলে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। চার
মাসেও যখন কারও টনক নড়েনি, তখন এই প্রশ্ন তো স্বাভাবিক যে স্থানীয় প্রশাসন বলে আদৌ কি কিছু আছে?

এ সমস্যার সহজ সমাধান হচ্ছে বড়েঙ্গা খাল খনন করা। এ দায়িত্ব পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষের। কিন্তু এ ব্যাপারে তাদের যে তেমন মাথাব্যথা নেই, তা টের পাওয়া যায় পাউবোর কেশবপুর কার্যালয়ের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর বক্তব্যে। অন্যান্য কী খাল খনন করেছেন তার ফিরিস্তি দিলেও বড়েঙ্গা খাল খনন বা পানি নামার ব্যাপারে কোনো উদ্যোগের কথা বলতে পারেননি তিনি। বিলে কিছু জাল ও বেড়ার কথা তিনি উল্লেখ করেছেন। আমাদের প্রশ্ন, এসব সরাতে পাউবো কী করেছে?

এলাকাবাসীর দুর্ভোগ দূর করতে অবিলম্বে সড়কের এই জলাবদ্ধতা দূর করতে হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন সক্রিয় ও দায়িত্বশীল না হলে এ ধরনের সমস্যার সমাধান করা যায় না। ফলে তাদের উদ্যোগী ভূমিকা জরুরি। আশা করছি, পানি উন্নয়ন বোর্ড জলাবদ্ধতা দূর করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।

About Kuy@s@News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*